সাম্যতা/বৈষম্যতা (নারী/পুরুষ)
মানুষে মানুষে ব্যাবধান তৈরি করা উচিত না, আবার চাইলেও একজন অন্যজনের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারেনা বা অন্য জনের মতো হতে পারে না। আসুন আমরা বিস্তারিত ভাবে জেনে নিই:
একজন দরিদ্র/মধ্যবিত্ত কৃষকের ছেলে একজন শিল্পপতি ছেলের সাথে তাল মিলিয়ে ভালো পোষাক পরতে পারেনা, ভালো খাবার খেতে পারেনা। তবে এগুলো একটা দরিদ্র/মধ্যবিত্তের ছেলের চাওয়া ঠিক না। কিন্তু সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি দুজনের উপর সমান থাকা উচিত, ধনসম্পদ পোষাকের উপর ভিত্তি করে বিচার বিশ্লেষণ করা উচিত নয়। কারন শিল্পপতি তো আর গাছে ধরেনা, আর ধরলেও গাছটি কৃষকের লাগানো ছিল অর্থাৎ একজন কৃষকের ছেলে তার মেধা শ্রম কাজে লাগিয়ে একদিন শিল্পপতি হয়ে যেতেও পারে। এখানে শুধু ধনসম্পদ আর কাজের ব্যাবধান যা কখনো স্থায়ী হয় না।
এবার আসি বহুল আলোচিত নারী পুরুষের বিষয়টি নিয়ে: নারী পুরুষ এটা সৃষ্টিগত বৈষম্য এবং এদের বৈশিষ্ট্য একে অপরের বিপরীতমুখী। একজন নারী যদিও যুদ্ধের মাঠে অস্ত্র না ধরে থাকে তবুও নারীর মর্যাদা একজন যোদ্ধার থেকে কখনোই কম নয়, কারণ যুদ্ধ না করলেও নারীরা যোদ্ধা তৈরি করে।
অনেকে অসৎ উদ্দেশ্যে নারী পুরুষের মধ্যে ব্যাবধান তৈরি করে সাম্যতার নামে নারীদেরকে বাজারে তুলে নিজেরা ফায়দা লুটছে।
এবার আসি তাদের কথায়: একটা চাকরিজীবী ছেলে একটা বেকার মেয়েকে বিয়ে করে এবং তার অর্জিত অর্থ সম্পূর্ণটাই পরিবারের পিছনে ব্যায় করে। কিন্তু একটা মেয়ে কখনো একটা বেকার ছেলেকে বিয়ে করেনা তাই ছিনতাই, ধর্ষণ, খুন সহ অসামাজিক কর্মকাণ্ড বেড়েই চলে।
এবার আসি ব্যাতিক্রমে যেটা তারা খুব ভালো বোঝেন: একটা ছেলে চাকরি করে এবং পরকীয়া করার ফলে নিজের স্ত্রীর সাথে খারাপ আচরণ করে। এখানেও কিন্তু অন্য একটা মেয়ের বেপর্দাই দায়ী, আর আপনারা এরজন্য সকল মেয়েদের বেপর্দা করছেন, এটা কখনোই সঠিক সমাধান নয়।
শিক্ষা: আমরা কখনো কাওকে ছোট করে দেখবো না অবহেলা করবো না, নিজ নিজ অবস্থান থেকে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করবো। সেইটা সুন্দর মানান সই হবে, কখনো হাস্যকর হবে না
